1. [email protected] : admin :
ভোলায় পুলিশ সুপার হলেন দশম শ্রেণীর ছাত্রী | Monpura Times
বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের পত্রিকায় আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন [email protected] অথবা [email protected]
ভোলায় পুলিশ সুপার হলেন দশম শ্রেণীর ছাত্রী

ভোলায় পুলিশ সুপার হলেন দশম শ্রেণীর ছাত্রী

অচিন্ত্য মজুমদার, জেলা প্রতিনিধি(ভোলা)

ভোলায় প্রতীকী পুলিশ সুপার হলেন সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী তাসনিম আজিজ রিমি। এক ঘণ্টার জন্য প্রতীকী পুলিশ সুপার হয়ে দায়িত্ব নিয়েই ভোলা জেলাকে নারীবান্ধব করতে আর নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে সুপারিশমালা তুলে ধরেন তিনি। সে প্রস্তাবনা বাস্তবায়নের ঘোষণাও দিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।

আজ বুধবার ভোলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সারের কাছ থেকে ব্যতিক্রমী এক আয়োজনে প্রতীকীভাবে পুলিশ সুপারের দায়িত্ব গ্রহণ করেন তাসনিম আজিজ রিমি। এ সময় পুলিশ সুপার এক ঘণ্টার প্রতিকী এসপিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

কণ্যাশিশু দিবস উপলক্ষে, নারীর ক্ষমতায়নের জন্য বেসরকারি সংস্থ্যা প্লান ইন্টারন্যাশনালের উদ্যোগে প্রতিকী এসপির উপস্থিতিতে এনসিটিএফ’র জেলা সমন্বয়কারি আদিল হোসেন তপুর সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন ভোলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, ভোলা শিশু বিষয়ক কর্মকতা আক্তার হোসেন, ভোলা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শারমিন জাহান শ্যামলী, ভোলা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের আহবায়ক হামিদুর রহমান হাসিব, ভোলা সদর উপজেলা শিল্পকলা একাডেমী সাধারণ সম্পাদক আবিদুল আলম, ভোলা এসটিসিএফ’র সভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌস মিম প্রমুখ। এসময় প্রতীকী পুলিশ সুপার তাসনিম আজিজ রিমির পিতা তারেক আবদুল আজিজ ও মা মেরিনা বেগম উপস্থিত ছিলেন।

এক ঘণ্টার পুলিশ সুপার তার স্বপ্নের কথা তুলে ধরে বলেন, কন্যা শিশুরা সমান সুযোগ এবং সমানাধিকার পেলে বদলে দিতে পারে তাদের জীবন। নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধ, বাল্য বিয়ে রোধসহ করনীয় বিষয় তুলে ধরেন।

এসময় তিনি বিভিন্ন তথ্য ও উপাত্তর আলোকে জানান, ভোলা জেলায় প্রতি ৫ দিনে একটি করে ধর্ষণের মামলা করা হচ্ছে। প্রতি ৮ ঘন্টায় ১টি করে নারী নিযার্তনের মামলা হচ্ছে। এমনই এক প্রেক্ষাপটে একজন কিশোরি হিসাবে অন্যান্য লাখো লাখো কিশোরির মতো স্বপ্ন দেখি একটি সুস্থ সুন্দর নিরাপদ সমাজের। যেখানে নারীরা সুরক্ষিত থাকিবে, সুন্দর ভাবে বেঁচে থাকবে। আর যেন কোন নারীকে গন্তব্যে পৌছানোর জন্য পারি দিতে না হয় দুর্গম অরণ্যে। আর যেন পুরুষের গুহা থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় বেরুতে না হয় কোন নারীকে।

ভোলার পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, যে বিষয়গুলো প্রতীকী পুলিশ সুপার তুলে ধরেছেন, তাতে আমি বিস্মিত। নারীরা ধর্ষণ, ইভটিজিং এবং বাল্য বিয়ে সহ যেসব সামাজিক ব্যধিতে আক্রান্ত হচ্ছে তা আমরা প্রতীকী পুলিশ সুপারের কাছ থেকে শুনেছি। এইবিষয় গুলোকে অত্যান্ত গুরুত্ব সহকারে দেখার আশ্বাস দেন পুলিশ সুপার।

তিনি আরো বলেন, ছাত্র-ছাত্রীসহ যুব সমাজকে নিয়ে আমরা যদি সামনে এগোতে পারি, তাহলে শুধু রিমি নয় প্রতিটি কন্যাশিশুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে।

সংবাদটি আপনার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © monpuratimes.com 2020.
Design & Developed BY ThemesBazar.Com